তিস্তা নদী
সিকিমে ভূমিধসে তিস্তার প্রবাহে বাধা, সতর্কতা
ভারতের সিকিমের মাঙ্গান জেলায় ভূমিধসে চিয়াকুং নদীর ওপর মাটি-পাথরের স্তূপ জমে তিস্তা নদীর প্রবাহ আংশিকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এতে সেখানে প্রাকৃতিক বাঁধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বাঁধের পেছনে পানি জমে থাকায় সেটি ভেঙে গেলে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের তিস্তা অববাহিকার বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপরে তিস্তার পানি, লালমনিরহাটে বন্যার শঙ্কা
ভারতের গজলডোবা থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা ভারী বর্ষণের প্রভাবে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং নদীতীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
বাড়ছে কুড়িগ্রামের নদ-নদীর পানি, দুধকুমার বিপৎসীমার ওপরে
উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টির প্রভাবে কুড়িগ্রামের প্রধান নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যে দুধকুমার নদীর পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, আগামী ৭২ ঘণ্টায় পানি আরও বাড়তে পারে এবং স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।
তিস্তার ভাঙনে বিলীন বসতভিটা, খোলা আকাশের নিচে অসহায় নদীপাড়ের মানুষ
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের রামহরি মৌজায় তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে একাধিক পরিবারের বসতভিটা। চলমান নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার আগেই নতুন করে শুরু হওয়া ভাঙনে অন্তত ২০ থেকে ২৫টি পরিবার এখন চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুত কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
চীনা মন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক: তিস্তা ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা জোরদার
চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী লি গোয়োইংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে তিস্তা নদীসহ বাংলাদেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে।
কুড়িগ্রামে কমছে নদীর পানি, ৩০ পয়েন্টে তীব্র ভাঙনে দিশেহারা মানুষ
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমার নদের পানি হ্রাস পেতে শুরু করলেও জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র নদী ভাঙন। নদ-নদীর পানি কমায় বন্যার আশঙ্কা কাটলেও ৩০টি পয়েন্টে ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি। ফসল তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা।